৳ 150.0

In Stock
  • ধরন:                            গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা
  • প্রথম প্রকাশ :             অমর একুশে বইমেলা ২০১৯
  • প্রকাশনী:                    সাহিত্যদেশ
  • ভাষা:                           বাংলা

 

Order By A Call: 01733001160 Or 01733001162.

SKU: DSB1906

Description

বই:                              অনলাইন সাংবাদিকতা

লেখক:                        নাসির আহমাদ রাসেল

ধরন:                            গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা
প্রথম প্রকাশ :             ১ জুলাই ২০১৭

প্রকাশনী:                    সাহিত্যদেশ
দেশ:                            বাংলাদেশ
ভাষা:                           বাংলা

 

বইয়ের কিছু অংশ:   অনলাইন সাংবাদিকতা

সূচি

অনলাইন সাংবাদিকতা ০৫

অনলাইন সংবাদমাধ্যম ০৬

অনলাইন সংবাদমাধ্যমের প্রকারভেদ ০৭

বাংলাদেশে অনলাইন সংবাদ সংস্থার বিকাশ ০৮

অনলাইন সংবাদ সংস্থার বৈশিষ্ট্য ১২

অনলাইন সংবাদ সংস্থার সংবাদ লেখার নিয়ম ১৪

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদ সংস্থা ও পরিচিতি ১৫

যেভাবে শুরু করবেন অনলাইন সাংবাদিকতা ১৯

অনলাইন সাংবাদিকদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য ২০

আপনি যখন সাংবাদিক ২১

যুদ্ধ, সংঘাত ও সহিংসতা নিয়ে সাংবাদিকতা ২৮

সাংবাদিকতা ও সংবাদপত্র বিষয়ক আইন ৩৪

অনলাইন সংবাদ সংস্থার সম্পাদকদের সাক্ষাৎকার ৪১

অনলাইন সংবাদমাধ্যম পরিচালনার আইন-কানুন ৪৬

অনলাইন সংবাদ সংস্থার পদ-পদবি, দায়িত্ব ও বেতন কাঠামো ৬২

 

অনলাইন সাংবাদিকতা

প্রায় আড়াইশ বছর আগে ১৭৮৭ সালে সংবাদপত্রসম্পর্কিত এক মন্তব্যে সাবেক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট টমাস জেফারসন বলেছিলেন, ‘Were it left to me decide whether we should have a government without newspaper or news paper without a government, I should not hesitate a moment to prefer latter’  অর্থাৎ সংবাদপত্রহীন সরকার এবং সরকারহীন সংবাদপত্রের মধ্যে বেছে নিতে বললে এক মুহূর্তের জন্য চিন্তা না করে পরেরটাই আমি বেছে নেব।’ তার এ উক্তি থেকেই

উপলব্ধি করা যায় সংবাদপত্র দেশ ও জাতির জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। প্রায় পাঁচশ

বছরের পুরনো এই সংবাদপত্রের ইতিহাস খ্রিস্ট জন্মেরও আগের। ১৪০০ সালে ছাপার

মেশিন আবিষ্কারের আগেও হাতে লেখা সংবাদপত্রের অস্তিত্ব ছিল। তবে ১৬৬৪ সালে

ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত হয় পৃথিবীর সর্বপ্রথম সত্যিকারের আধুনিক সংবাদপত্র ‘লন্ডন

গ্যাজেট’। ১৭৮০ সালে প্রকাশিত ‘ক্যালকাটা গ্যাজেট’ বা ‘হিকিস বেঙ্গল গ্যাজেট’

ছিল ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম সংবাদপত্র। যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের পর সর্বপ্রথম

সাধারণ মানুষের হাতে আসে ‘সংবাদপত্র’ নামক ধনী মানুষদের এই বিলাস সামগ্রীটি।

১৮ শতাব্দীতে বড় বড় ছাপার যন্ত্র উদ্ভাবন, টেলিগ্রাফ যন্ত্র আবিষ্কার, সংবাদপত্রে

প্রথমবারের মতো ছবি বা ফটোগ্রাফ ব্যবহারের সুযোগ সংবাদপত্রের জনপ্রিয়তাকে

আকাশচুম্বী করে তোলে। যে কারণে ১৮৯০ থেকে ১৯২০ সাল পর্যন্ত সময়কে বলা

হয় ‘গোল্ডেন এজ অব প্রিন্ট মিডিয়া’।

পৃথিবী দ্রুত বদলে যাচ্ছে। পরিবর্তিত হচ্ছে মানুষের স্বাভাবিক যাপিত জীবন। বদলে

যাচ্ছে চিন্তা, রুচি আর দীর্ঘদিনের চলমান অভ্যাস। জ্ঞানবিজ্ঞানের উন্নয়নের

ধারাবাহিকতায় প্রযুক্তির ব্যাপক পরিবর্তন ঘটছে। এসব পরিবর্তনের সঙ্গে বদলে যাছে

সংবাদপত্র বা সাংবাদিকতার সনাতনী ধারাও। ক্রমেই প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠছে আগামী

দিনের সাংবাদিকতা। খবর জানতে এখন আর কাগুজে সংবাদপত্রের জন্য অপেক্ষা

করে না মানুষ। দ্রুত খবর জানতে আশ্রয় নেয় ইন্টারনেটের। বাংলাদেশেও প্রায় সব

শীর্ষ সংবাদপত্র এখন প্রিন্ট কপির পাশাপাশি অনলাইন সংস্করণ প্রকাশ করছে। প্রিন্ট

মিডিয়া ছেড়ে অনলাইন মিডিয়ার দিকে ঝুঁকছে পাঠক। বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে জনপ্রিয়ও

হয়ে উঠছে অনলাইন পত্রিকা বা সংবাদ সংস্থাগুলো।

অনলাইন সংবাদ সংস্থাগুলোর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তাৎক্ষণিক সংবাদ পরিবেশন। যে

কারণে যেকোনো সংবাদ দ্রুত পেতে আগ্রহভরে ইন্টারনেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যমেরই

আশ্রয় নিচ্ছেন সংবাদপিপাসুরা। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার ঘোষণার মধ্য দিয়ে এক

নতুন দিগন্তে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ। দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদে স্থাপিত

হয়েছে তথ্যকেন্দ্র। কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট সংযোগসহ তথ্যপ্রযুক্তির সকল সুবিধা

সেখানে রয়েছে। গ্রামে বসেই স্থানীয় সংবাদসমূহ খুব সহজে সরবরাহ করছেন স্থানীয়

সাংবাদিকরা। ফলে কার্যকর হয়ে উঠছে তৃণমূল সাংবাদিকতা। ইন্টারনেটের কল্যাণে

মুহূর্তেই বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে তৃণমূলের খবর।

ভারতীয় উপমহাদেশে অনলাইন সাংবাদিকতার প্রকৃষ্ট উদাহরণ হলো নেপাল।

ভৌগোলিক অবস্থার কারণে সেখানে অনলাইন সাংবাদিকতা প্রচুর উন্নতি লাভ করেছে।

নেপালের রাজতন্ত্রবিরোধী আন্দোলনে অনলাইন সাংবাদিকতা ব্যাপক কার্যকরি ভ‚মিকা

রেখেছিল। সে সময় নেপাল সরকার সংবাদপত্র নিষিদ্ধ করেছিল। সেই সাথে নিষিদ্ধ

ছিল অনলাইনে সংবাদ পরিবেশনও। কিন্তু সংবাদকর্মীরা তাতে দমে যাননি। তারা

আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদগুলোকে টুকরো টুকরো করে সেন্সরশিপকে ফাঁকি দিয়ে

ঠিক সময়ে ঠিক স্থানে পরিবেশন করতে পেরেছিলেন। এতে সংবাদ পরিবেশনের

ক্লাসিক দিকটি ফুটে উঠেছে।

২০১১ সালের আগস্টে একটি মার্কিন ওয়েব গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত

তথ্যানুযায়ী, বিশ্বে একশ কোটিরও বেশি ওয়েবসাইট রয়েছে। যার ১০ ভাগেরও বেশি

ওয়েবসাইট সংবাদসংশি ষ্ট। অর্থাৎ প্রায় সাতশ কোটি মানুষের এ – পৃথিবীতে প্রতি

সাতজনের জন্য একটি ওয়েবসাইট এবং প্রতি ৭০ জনের জন্য একটি অনলাইন

পত্রিকা রয়েছে।

বিশ্বব্যাপী অনলাইন সংবাদপত্রের এই জয়জয়কার নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে মিডিয়া

সম্রাট রুপার্ট মার্ডক বলেন, ‘ইন্টারনেট পাঠকদের অনেক বেশি ক্ষমতা দিয়েছে।’

হাফিংটন পোস্টের সম্পাদক আ্যারিয়ানা হাফিংটনের মতে, ‘এটি সংবাদপত্রের জন্য

দুঃসময় হলেও সংবাদ ক্রেতাদের জন্য সুসময়।’

অর্থাৎ একটি বোতাম টিপেই পাঠকরা এখন খুব সহজে সবচেয়ে সর্বশেষ ও বৈচিত্র্যময়

সংবাদ পাচ্ছেন। একই সঙ্গে সংবাদের লিখিত সংস্করণের পাশাপাশি এর সংশি ষ্ট – অডিও, ভিডিও এবং ফটোগ্রাফও পাচ্ছেন তারা।

 

অনলাইন সংবাদমাধ্যম

মূলত ইন্টারনেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যমকেই অনলাইন সংবাদমাধ্যম বলা হয়। যে কারণে

ইন্টারনেটভিত্তিক সাংবাদিকতাই অনলাইন সাংবাদিকতা। উন্মুক্ত বিশ্বকোষ

উইকিপিডিয়ার ভাষায়, An online newspaper, also known as a web newspaper, is a newspaper that exists on the World Wide Web or Internet, either separately or as an online version of a printed periodical. এনসাইক্লোপিডিয়া ডটকমের সংজ্ঞানুযায়ী, The electronic version of a newspaper AbjvBb mvsevw`KZv  7 8  AbjvBb mvsevw`KZv stored at a WEB SITE. Usually the newspaper consists of content found in a conventional newspaper supplemented by devices such as MAILING LISTS, EMAIL, DYNAMIC CONTENT, interactive competitions, and BANNER ADVERTS. Many conventional news organizations maintain Web sites which are almost exact replicas of their daily paper-based newspapers.

 

অনলাইন সংবাদমাধ্যমের বিকাশ

১৯৬৯ সালে সর্বপ্রথম বিবিসি ভিডিওটেক্সট নামে একটি ইন্টার-অ্যাকটিভ মিডিয়া

চালুর চেষ্টা করে। ওই সালেই নিউইয়র্ক টাইমস একটি অনলাইন তথ্যভাণ্ডার তৈরি

করে। ১৯৭৪ সালে ‘নিউজ রিপোর্ট’ নামে সর্বপ্রথম অনলাইন সংবাদপত্র প্রকাশিত

হয়। যেটি ইউনিভার্সিটি অব ইলিনস (University of Illinois) -এ PLATO system (Programmed Logic for Automated Teaching Operations)  ব্যবহার করে ব্র“সপ্যারেলো চালু করেন। পরবর্তী সময়ে বেশ কিছু সংবাদপত্র মুদ্রিত সংখ্যার পাশাপাশি

অনলাইন সংস্করণ চালু করে। যার মধ্যে ১৯৯১ সালে চালু হওয়া দ্য উইকেন্ড সিটি

প্রেস রিভিউ পথপ্রদর্শকের ভ‚মিকা পালন করে। তবে সত্যিকারের অনলাইন

সংবাদপত্রের যাত্রা শুরু হয় সাউথপোর্ট রিপোর্টার নামে ২০০০ সালে যুক্তরাজ্যে। এটি

ছিল একটি আঞ্চলিক সাপ্তাহিক সংবাদপত্র, যার অন্য কোনো সংস্করণ ছিল না।

বর্তমানে বিশ্বের প্রায় সব মুদ্রিত সংবাদপত্রই অনলাইন সংস্করণ প্রকাশ করছে। ২০০৫

সালে যুক্তরাজ্যের গার্ডিয়ান পত্রিকা পডকাস্টিং নামে এক নতুন সার্ভিস শুরু করে।

পডকাস্টিং হচ্ছে শর্তসাপেক্ষে সুনির্দিষ্ট কিছু গ্রাহককে নিয়মিতভাবে ডিজিটাল সংবাদ

(অডিও, ভিডিও ফুটেজ) পাঠানো।

এ ছাড়া বিশ্বব্যাপী নানা সংকটের কারণে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অনেক

প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী পত্রিকা মুদ্রিত সংস্করণ বাদ দিয়ে শুধু অনলাইন সংস্করণ প্রকাশ

করছে। এর মধ্যে ২০০৯ সালের ১৭ মার্চ মুদ্রণ বন্ধ করে অনলাইন সংস্করণ চালু

করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ১৪৯ বছরের ঐতিহ্যবাহী সংবাদপত্র সিটেল পোস্ট ইনটেলিজেন্সার

(Seattle Post-Intelligencer)।

 

অনলাইন সংবাদমাধ্যমের প্রকারভেদ

সংবাদ প্রকাশ বা উপস্থাপনার বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে এখন পর্যন্ত অনলাইন

সংবাদমাধ্যমকে আট ভাগে ভাগ করা যায়।

১. অনলাইন পত্রিকা

২. অনলাইন সংবাদ সংস্থা

৩. দৈনিক পত্রিকা বা টেলিভিশন চ্যানেলের অনলাইন সংস্করণ। (যেখানে দৈনিকের

মুদ্রিত সংখ্যার বিষয়াবলি এবং চ্যানেলের নিয়মিত অনুষ্ঠানাধি ছাড়াও প্রতিমুহূর্তে ঘটে

যাওয়া ঘটনার তাৎক্ষণিক আপডেট সংবাদ প্রকাশিত হয়)

৪. সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক, ত্রৈমাসিক ও ষন্মাষিক পত্রিকার মুদ্রিত সংখ্যার

অনলাইন সংস্করণ

৫. ই-ভার্সন, ডিজিটাল ভার্সন, ই-নিউজপেপার বা ইলেকট্রনিক নিউজ পেপার

৬. সফট কপি নিউজ শিট

৭. অনলাইন রেডিও

৮. অনলাইন টেলিভিশন

তবে এ বইয়ের আলোচনার বিষয় হচ্ছে বাংলাদেশের অনলাইন সংবাদ সংস্থা।

 

অনলাইন সংবাদ সংস্থা :

অনলাইন সংবাদ সংস্থাগুলো নিজস্ব ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে খুব কম সময়ের মধ্যে

সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এবং বিস্তারিত সংবাদ প্রকাশ করে থাকে। সেই সঙ্গে গ্রাহকদের

কাছে সংবাদ সরবরাহের মাধ্যম হিসেবেও ইমেইল এবং ওয়েব পোর্টাল ব্যবহার করে।

নিজস্ব ওয়েব পোর্টালে সবার আগে সর্বশেষ নির্ভরযোগ্য এবং সাধ্যানুযায়ী বিস্তারিত

সংবাদ প্রকাশ করাই অনলাইন সংবাদ সংস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য। বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী

অনলাইন সংবাদ সংস্থাগুলো প্রতিমুহূর্তে ঘটে যাওয়া ঘটনার আপডেট সংবাদ প্রকাশ

করে। সেই সঙ্গে ঘটনার ফটোগ্রাফি এবং ভিডিও ক্লিপও প্রকাশ করে থাকে

সংস্থাগুলো।

 

বাংলাদেশে অনলাইন সংবাদ সংস্থার বিকাশ

সর্বপ্রথম ২০০৪ সালে বাংলাদেশে অনলাইন সংবাদ সংস্থার যাত্রা শুরু হয়। ২০০৪

সালের সেপ্টেম্বরে শুধু ইংরেজি ভার্সনে সংবাদ প্রকাশ ও সরবরাহ শুরু করে দেশের

প্রথম অনলাইন সংবাদ সংস্থা বিডিনিউজ২৪.কম। যার স্বপ্নদ্রষ্টা, প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান

সম্পাদক সাংবাদিক আলমগীর হোসেন। তার হাত ধরেই এ দেশীয় সাংবাদিকতায়

এক নতুন অধ্যায় সূচিত হয়। বাংলাদেশের সাংবাদিকতা একটি নতুন যুগে প্রবেশ

করে। বিশ্বব্যাপী স্বকীয়তা নিয়ে উপস্থাপিত হয় বাংলাদেশ। যে কারণে আলমগীর

হোসেনই বাংলাদেশের অনলাইন সাংবাদিকতার জনক।

বাংলাদেশে অনলাইন সংবাদ সংস্থার বিকাশ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানা যায়

২০১১ সালের ২০ ডিসেম্বর অনলাইন সংবাদ সংস্থা বাংলানিউজ২৪.কমে প্রকাশিত

সাংবাদিক মাহমুদ মেননের একটি স্মৃতিচারণামূলক লেখা থেকে। পাঠকদের উদ্দেশে

লেখাটি হুবহু তুলে ধরা হলো।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “অনলাইন সাংবাদিকতা – নাসির আহমাদ রাসেল”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Conditions:

  • Cash On Delivery And Bkash/Rocket Online Payment Available. Please See Details Here.
  • DELIVERY CHARGES Inside Dhaka Metro 49 Tk, Outside Dhaka Metro 99 Tk (If Customer Choose SA Poribohon In Outside Dhaka Metro Then Cost Will Be 120 Tk). For More Info Please Click Here.
  • If You Want To Pay Cash On Delivery Outside The Dhaka Metro, You Will Have To Make Payment Advance 200 / - Taka By Bakash / Rocket.
  • In Outside Dhaka Metro Delivery, Customers May Have To Collect Their Products From The Nearby Courier Service Office.
  • Estimated Delivery Time For Inside Dhaka Metro - 1-2 Working Days And For Outside Dhaka Metro - 2-3 Working Days.
  • Product Delivery May Be Delayed Due To Any Natural Disaster Or Any Other Political Unrest.
  • Please Check Size & Color Before Placing Order.
  • Product Delivery Duration Depends On Product Availability In Stock.
  • The Actual Color Of The Physical Product May Slightly Vary Due To The Deviation Of Lighting Sources, Photography Or Your Device Display Setting.
  • Please Read The Return And Exchange Page Thoroughly Before Requesting A Return Or Exchange For Your Purchased Products.
  • For Any Other Query Please Contact Us At Our Customer Care Number Is 01733001160 Or 01733001162 (Everyday 9 Am To 11 Am) Or E-Mail Us At [email protected]

Vendor Information

  • Store Name: R E Collection
  • Vendor: R E Collection
  • Address: Dhaka
  • No ratings found yet!

Questions and answers of the customers

There are no questions yet, be the first to ask something for this product.